Header Ads

সর্বশেষ

আপনারা নবীকে যখন মানবেনই তাকে ভালভাবে জেনে-শুনেই মানুন, সোয়াব বেশি হবে।


নিম্নে তাহার কিছু আকাম-কুকামের রেফারেন্স (প্রমান) সহ দেয়া হলো।

১. সহি মুসলিম (8:3309) এবং সহি বুখারি (58:234) - মুহাম্মদ ৫০ বছর বয়সে আয়শাকে বিয়ে করেছিলো যখন আয়েশার বয়স ছিলো মাত্র ৬ এবং তার সাথে যৌনকর্মে লিপ্ত হয়েছিলো যখন আয়েশার বয়স ছিলো মাত্র ৯ বছর।


*** মুমিন ভাইয়েরা দুশ্চরিত্র ও শিশুকামী নবীকে বাঁচাতে আপনাদের তেনা পেচানো উত্তর নিয়ে এগিয়ে আসুন প্লীজ।


২. সহি বুখারি (62:18) - আয়েশার বাবা আবু বকর প্রথমে মুহাম্মদের কুপ্রস্তাবে রাজি হন নি। মুহাম্মদ আয়েশাকে স্বপ্নে দেখেছে, আয়েশা মুহাম্মদের জন্য হালাল, এটা আল্লাহর নিজের ইচ্ছা বলে রাজি করান।

বি:দ্র: মুহাম্মদের শশুর আবু বকরও মুহাম্মদের চেয়ে বয়সে ছোট ছিলো।


*** এই প্রথম ৫০ VS ৬ এর বিয়ে দেখলাম। যেখানে মেয়ে-জামাই তার শশুরের থেকেও বয়সে বড়।


৩. সহি মুসলিম (8:3311) - আয়েশা তার খেলার পুতুল সংগে নিয়ে মুহাম্মদের বাসায় গিয়েছিল।


*** মুমিন ভাইয়েরা, আয়েশা নাকি বয়সের তুলনায় অনেক ম্যাচিউর ছিলো? তাহলে পুতল..........


৪. সহি বুখারি (6:298) - মুহাম্মদ একসংগে গোসল করার সময় শিশু আয়েশাকে টিপাটিপি করত।


৫. সহি মুসলিম (8:3460) - যখন মুহাম্মদের এক অনুসারী এক বয়স্ক মহিলাকে বিয়ে করেছিলো তখন মুহামদ তাকে বলেছিলো " তুমি একটি নাবালিকা মেয়েকে বিয়ে করলে না কেনো তাহলে তুমি তার সাথে খেলতে পারতে সে তোমার সাথে খেলতে পারতো!


৬. সহি বুখারি (6:300) - মুহাম্মদের স্ত্রীদের পিরিয়ডের চলার সময়ও মুহাম্মদের টিপাটিপির জন্য তাদের কাছে থাকতে হতো।


৭. সহি বুখারি (93:639) - আয়েশার পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে মুহাম্মদ আয়েশার কোলে মাথা রেখে কোরানের বাণীগুলো আউরাতো।


৮. সহি বুখারি (5:268) - "মুহাম্মদ একই রাতে তার এগারো জন স্ত্রীর সাথে পালাক্রমে যৌনকর্মে লিপ্ত হতো। আনাস নামক এক সাহাবিকে জিজ্ঞাসা করার পর বলেছিল মুহাম্মদের ৩০ জন পুরুষের (৩০ অশ্বশক্তি) সমান সেক্স পাওয়ার ছিলো। কিন্তু, মুহাম্মদ নিজের মুখেই বলেছে যে সব স্ত্রীদের সমান ভাবে খুশি করা তার পক্ষে সম্ভব ছিলো না।


৯. সহি মুসলিম (8:3424) - মুহাম্মদ বলেছে যে কোন নারী যদি কোন অপরিচিত পুরুষকে তার স্তন্য চুষতে দেয়, তাহলে তাদের মধ্যে আর বিয়ের সম্পর্ক হতে পারবে না। অতপর, তারা একই ছাদের নিচে থাকলেও আর কোন সমস্যা হবে না।


১০. তাবারি (9:137) - "আবু কুরাইজা বংশের যুদ্ধবন্দী রায়হানাকে মুমাম্মদ আল্লাহর থেকে পুরস্কার পাওয়া দাসী হিসেবে নিয়েছিলো।


১১. তাবারি (8:117) - দাহিয়াহ মুহাম্মদের কাছে সাফিয়া নামক যুদ্ধবন্দী নারীকে ছেয়েছিলো।মুহাম্মদ সাফিয়াকে নিজের জন্য রেখে দাহিয়াকে সাফিয়ার দুই চাচাতো বোন দিয়ে ঠান্ডা করেছিলো। খাইবারের নারীদেরকে মুহাম্মদ তার অনুসারীদের মাঝে উপভোগ করার জন্য পালাক্রমে একেক জনের কাছে বিতরণ করতো। যে মুহাম্মদের যত বড় যোদ্ধা তাকে তত বেশি সুন্দরী যুদ্ধবন্দী নারী উপহার দেয়া হতো।


এবার দেখুন নবীর কোরানিক ভন্ডামি:


১২. সূরা আল আহযাব: 33: 50 - হে নবী! আপনার জন্য আপনার স্ত্রীগণকে হালাল করেছি, যাদেরকে আপনি মোহরানা প্রদান করেন। আর দাসীদেরকে হালাল করেছি, যাদেরকে আল্লাহ আপনার করায়ত্ব করে দেন এবং বিবাহের জন্য বৈধ করেছি আপনার চাচাতো ভগ্নি, ফুফাতো ভগ্নি, মামাতো ভগ্নি, খালাতো ভগ্নিকে যারা আপনার সাথে হিজরত করেছে। কোন মুমিন নারী যদি নিজেকে নবীর কাছে সমর্পন করে, নবী তাকে বিবাহ করতে চাইলে সেও হালাল। এটা বিশেষ করে আপনারই জন্য-অন্য মুমিনদের জন্য নয়। আপনার অসুবিধা দূরীকরণের উদ্দেশে। মুমিনগণের স্ত্রী ও দাসীদের ব্যাপারে যা নির্ধারিত করেছি আমার জানা আছে। আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।


*** এই নবীর কাছে মা, মেয়ে, বোন, ভাগ্নী, খালা, ছাগল, কুত্তা, বিলাই, কোন কিছুই নিরাপদ না।


১৩. সূরা আত-তাহরীম: 66: 5 - যদি নবী তোমাদের সকলকে (নবীর স্ত্রীদের) পরিত্যাগ করেন, তবে সম্ভবতঃ তাঁর পালনকর্তা তাঁকে পরিবর্তে দিবেন তোমাদের চাইতে উত্তম স্ত্রী, যারা হবে আজ্ঞাবহ, ঈমানদার, নামাযী তওবাকারিণী, এবাদতকারিণী, রোযাদার, অকুমারী ও কুমারী।

*** তালাকের ভয় দেখিয়ে নিয়ন্ত্রন।


১৪. সূরা আল আহযাব:33:28 - হে নবী, আপনার পত্নীগণকে বলুন, তোমরা যদি পার্থিব জীবন ও তার বিলাসিতা কামনা কর, তবে আস, আমি তোমাদের ভোগের ব্যবস্থা করে দেই এবং উত্তম পন্থায় তোমাদের বিদায় নেই।


*** এই হইল খাডাস মুহাম্মদের খাডাস আল্লাহ। দুনিয়ার এতো অপকর্মের কোন খবর নাই, সে পইরা রইছে নবীর বউগো লইয়া।


১৫. সূরা আল আহযাব:33:30 - হে নবী পত্নীগণ! তোমাদের মধ্যে কেউ প্রকাশ্য অশ্লীল কাজ করলে তাকে দ্বিগুণ শাস্তি দেয়া হবে। এটা আল্লাহর জন্য সহজ।


*** এই আয়াতটি হচ্ছে, প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খাওয়ার পরে বমি বন্ধ করার ঔষধ।


১৬. সূরা আল আহযাব:33:31 - তোমাদের (নবীর বউদের) মধ্যে যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রসূলের অনুগত হবে এবং সৎকর্ম করবে, আমি তাকে দুবার পুরস্কার দেব এবং তার জন্য আমি সম্মান জনক রিযিক প্রস্তুত রেখেছি।


১৭. সূরা আল আহযাব:33:32 - হে নবী পত্নীগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও; যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, তবে পরপুরুষের সাথে কোমল ও আকর্ষনীয় ভঙ্গিতে কথা বলো না, ফলে সেই ব্যক্তি কুবাসনা করে, যার অন্তরে ব্যাধি রয়েছে তোমরা সঙ্গত কথাবার্তা বলবে।


*** লাগতাছে, আল্লায় নিজেই নবী পত্নীগনের সাথে পরকীয়ায় জড়াইয়া গেছে।


১৮. সূরা আল আহযাব:33:33 - তোমরা গৃহাভ্যন্তরে অবস্থান করবে-মূর্খতা যুগের অনুরূপ নিজেদেরকে প্রদর্শন করবে না। নামায কায়েম করবে, যাকাত প্রদান করবে এবং আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করবে। হে নবী পরিবারের সদস্যবর্গ। আল্লাহ কেবল চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পূত-পবিত্র রাখতে।


*** আল্লাহর মেন্টালিটি নবীর সাথে হুবুহু মিল। চোরে চোরে মাসতুতু ভাই।


১৯. সূরা আল আহযাব:33:53 - হে মুমিনগণ! তোমাদেরকে অনুমতি দেয়া না হলে তোমরা খাওয়ার জন্য আহার্য রন্ধনের অপেক্ষা না করে নবীর গৃহে প্রবেশ করো না। তবে তোমরা আহুত হলে প্রবেশ করো, তবে অতঃপর খাওয়া শেষে আপনা আপনি চলে যেয়ো, কথাবার্তায় মশগুল হয়ে যেয়ো না। নিশ্চয় এটা নবীর জন্য কষ্টদায়ক। তিনি তোমাদের কাছে সংকোচ বোধ করেন; কিন্তু আল্লাহ সত্যকথা বলতে সংকোচ করেন না। তোমরা তাঁর পত্নীগণের কাছে কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে চাইবে। এটা তোমাদের অন্তরের জন্যে এবং তাঁদের অন্তরের জন্যে অধিকতর পবিত্রতার কারণ। আল্লাহর রাসূলকে কষ্ট দেয়া এবং তাঁর ওফাতের পর তাঁর পত্নীগণকে বিবাহ করা তোমাদের জন্য বৈধ নয়। আল্লাহর কাছে এটা গুরুতর অপরাধ।


*** সাহাবিদের নবীপত্নীদের সাথে ফস্টিনস্টি দেখে আল্লার জিলাসি (নবির জিলাসি)।


২০. সূরা আল আহযাব:33:55 - নবী-পত্নীগণের জন্যে তাঁদের পিতা পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নি পুত্র, সহধর্মিনী নারী এবং অধিকার ভুক্ত দাসদাসীগণের সামনে যাওয়ার ব্যাপারে গোনাহ নেই। নবী-পত্নীগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ সর্ব বিষয় প্রত্যক্ষ করেন।


*** আল্লাহ পরকীয়া রোধ করতে একটার পর একটা ঔষধ দিয়েই যাচ্ছেন।


২১. সূরা আল আহযাব:33:6 - নবী মুমিনদের নিকট তাদের নিজেদের অপেক্ষা অধিক ঘনিষ্ঠ এবং তাঁর স্ত্রীগণ তাদের মাতা। আল্লাহর বিধান অনুযায়ী মুমিন ও মুহাজিরগণের মধ্যে যারা আত্নীয়, তারা পরস্পরে অধিক ঘনিষ্ঠ। তবে তোমরা যদি তোমাদের বন্ধুদের প্রতি দয়া-দাক্ষিণ্য করতে চাও, করতে পার। এটা লওহে-মাহফুযে লিখিত আছে।


***দুশ্চরিত্র নবির দুশ্চরিত্র সাহাবিরা এইবার ঠেলা সামলাও, এইবার মা বানাইয়া দিছে।


২২. সূরা আল আহযাব:40 - মুহাম্মদ তোমাদের কোন ব্যক্তির পিতা নন; বরং তিনি আল্লাহর রাসূল এবং শেষ নবী। আল্লাহ সব বিষয়ে জ্ঞাত।


*** তার বউরা সবার মা কিন্তু সে কারও বাপ না। তার মানে, ভবিষ্যতে আরও আকাম-কুকাম করার ধান্দা আছে।


২৩. মুহাম্মদ তার নিজ চাচাতো ভাইয়ের সাথে তার কন্যা ফাতিমার বিয়ে দিয়েছিলো। নিজ মেয়ে ফাতিমা আলীর ঘরে থাকা সত্বেও আলীকে যৌনদাসী উপহার দিয়েছিলো।

*** এই না হইলে শশুর!


২৪. সূরা আল আহযাব:33: 37 - আল্লাহ যাকে অনুগ্রহ করেছেন; আপনিও যাকে অনুগ্রহ করেছেন; তাকে যখন আপনি বলেছিলেন, তোমার স্ত্রীকে তোমার কাছেই থাকতে দাও এবং আল্লাহকে ভয় কর। আপনি অন্তরে এমন বিষয় গোপন করছিলেন, যা আল্লাহ পাক প্রকাশ করে দেবেন আপনি লোকনিন্দার ভয় করেছিলেন অথচ আল্লাহকেই অধিক ভয় করা উচিত। অতঃপর যায়েদ যখন যয়নবের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করল, তখন আমি তাকে আপনার সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ করলাম যাতে মুমিনদের পোষ্যপুত্ররা তাদের স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলে সেসব স্ত্রীকে বিবাহ করার ব্যাপারে মুমিনদের কোন অসুবিধা না থাকে। আল্লাহর নির্দেশ কার্যে পরিণত হয়েই থাকে।


***পালক পুত্র জায়েদ এর স্ত্রীকে মহাউন্মাদের সাথে বিয়ে দিতে আল্লাহর ঐতিহাসিক ঘটকালী।


*** আগেই বলছিলাম, নিশ্চই তার ভবিষ্যতে আরও আকাম-কুকামের ধান্দা আছে। দেখলেন তো প্রমান! আর একটু সময় পাইলে বেচারায় সেঞ্চুরিটা পুর্ণ করতে পারতো।


আজকে এখানেই শেষ করি, বেশি পড়া দিলে মুমিনরা মুখস্ত করতে পারবে না। দূ:খিত, অশ্লীল নবীর অশ্লীল ঘটনাগুলো খোলাখুলি লিখার জন্য। প্রত্যেকটি লাইন ১০০% সত্য। আআআআমিন।

No comments