আনসার আল ইসলাম যুব সমাজকে তাদের দিকে ধাবিত করছে!
টেন মিনিট স্কুল ও আয়মান সাদিকের সমকামিতা ইস্যুতে দেশের সর্বস্তরের মানুষ-ই দেখলাম জোরালোভাবে বিরোধিতা করেছে, বিশেষ করে আমাদের যুব সমাজ এটিকে মানতেই পারছে না, এটি হওয়াটাই স্বাভাবিক, আসলে সত্যি কথা বলতে আমরা আমাদের সাধারণ চোখে এটুকুই দেখেছি!
কিন্তু আপনি কি একটি বারও ভেবেছেন এরা কাদের উস্কানিতে এমনটি করছে?
মানে এর পেছনে কারা কাজ করছে বা তাদের উদ্দেশ্য কি?
কারণ আয়মান সাদিক সরি বলার পরও কিন্তু বিষয়টি থামছে না, বিভিন্ন মাধ্যম থেকে এখনো উস্কানিমূলক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে!
সাধারণ জ্ঞানে না একটু মনোযোগ দিয়ে ভাবুন!!
আমি নিশ্চিত করেই বলতে পারি যে আন্দোলনকারীদের মধ্যে বেশিরভাগ লোকজনই জানে না LGBTQ এর full form কি, তার মানে কি তারা হুজুকে ছোটা ছুটি করছে? না ইসলাম ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে এজন্য ছুটছে?
আসলে বিষয়টি আর একটু গভীরে চিন্তা করলে অন্য কিছু বের হয়ে আসে, খেয়াল করে দেখুন আমাদের দেশের যতগুলো জঙ্গি সংগঠন আছে, তারা সবাই যুগে যুগে আমাদের যুব সমাজকেই টার্গেট করেছে, তাদের ব্রেইন ওয়াশ করে নিমিষেই মানুষকে হত্যার মত জঘন্য কার্যকলাপে লিপ্ত করছে, এমন কি ছাত্রশিবিরও বিভিন্ন কোচিং থেকেই ছাত্রদের টার্গেট করেছে, পরবর্তিতে মানুষের রক কেটেছে!
আমি শতভাগ নিশ্চিত করে বলতে পারি যে, এই ইস্যুতে যেসব যুবকরা বেশি একটিভ ছিল, এদের মধ্য থেকে দশ জনকে ডাক দিয়ে যদি বলা হয় যে আয়মান সাদিক এখন পাশের ওই গলিতে আছে, তোমাকে আমরা একটি ধারালো অস্ত্র দিচ্ছি, যাও তাকে মেরে আসো, সাথে সাথেই দেখবেন এই দশ জনের মধ্যে অন্তত তিনজন এগিয়ে এসে বলবে ভাই আমার অস্ত্র লাগবে না, আমি ইট বা পাথর দিয়েই জঘন্যভাবে বা ধুকে ধুকে তাকে মারতে চাই, এবং ইসলামী মৌলবাদীরা বা জঙ্গি সংগঠনগুলো এটিই চায়।
আপনারা একটি বিষয় লক্ষ করে দেখবেন যে, আয়মান সাদিকের এই বিষয়টি নিয়ে “আনসার আল ইসলাম” বেশ সোচ্চার ছিল এবং এখনো আছে, তারা নিয়মিত ভিডিও বার্তাও ছড়িয়ে দিচ্ছে এই যুব সমাজে, অথচ এই “আনসার আল ইসলাম” হচ্ছে একটি নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন, যেটি হয়তো আপনারা অনেকেই জানেন, আর যারা জানেন না তাদের জন্য বিস্তারিত পরবর্তীতে লিখবো।
আর একটি বিষয় একটু বলতে চাই, আপনারা অনেকেই হয়তো মনে করছেন আমি একটু বেশি বুঝি বা বা. পাকনা, Trust Me আপনারা কি ভাবলেন আর না ভাবলেন I don’t care!

No comments